ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি সম্প্রতি জেলা কমিটি ঘোষণা করে। তবে নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সংগঠনের স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আজ কমিটির অভ্যন্তরীণ বৈঠকের সময় বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষ লাঠিসোটা, ইটপাটকেল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংগঠনের একাংশের নেতা অভিযোগ করেন, “কমিটি গঠনের সময় যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পক্ষপাতমূলকভাবে কিছু অযোগ্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে আমরা আপত্তি জানালে হামলার শিকার হই।”
অন্যপক্ষের নেতা বলেন, “কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে আমরা কাজ করছি। কিন্তু একটি গ্রুপ অহেতুক উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।”
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”
এ ঘটনা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নতুন নয়, তবে এ ধরনের সহিংসতা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

