নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে এসেছেন। এক সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সাথে কোনো সম্পর্ক থাকবে না।” তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গতকাল একটি রাজনৈতিক সমাবেশে ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রতি কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের কাছ থেকে অনেক সুবিধা নিয়েছে, কিন্তু প্রতিদানে আমরা কিছুই পাইনি। আমার প্রশাসন ক্ষমতায় ফিরলে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করা হবে।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, তার এই বক্তব্য মূলত মার্কিন ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট অংশকে সন্তুষ্ট করার কৌশল। তবে এটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “বাংলাদেশ সবসময়ই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বিশ্বাসী। আমরা আশা করি, এটি তার ব্যক্তিগত মতামত, এবং মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেবে না।”
এদিকে, বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে ট্রাম্পের এই বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য।
বিশ্ব রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ধরনের বক্তব্য তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ, যা মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তবে এটি বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

